• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা

২০ দলীয় জোট ছাড়ল ইসলামী ঐক্যজোট

ইসলামীঢাকা: ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে গঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছাড়ল আবদুল লতিফ নেজামীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোট।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলের ত্রি-বার্ষিক জাতীয় কনভেনশনে জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয় দলটি।

২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতৃত্বে চার-দলীয় জোট গঠিত হয়। এই জোটের অন্য তিনটি দল হলো- জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও ইসলামী ঐক্যজোট।

পরে এটি পর্যায়ক্রমে ২০-দলীয় জোটে পরিণত হয়। জোট গঠনকালীন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ছিলেন প্রয়াত মুফতি ফজলুল হক আমিনী।

সে সময়ের মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী বর্তমানে দলটির চেয়ারম্যান। আর মহাসচিব আছেন মুফতি ফয়জুল্লাহ। দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আমিনীর ছেলে মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সরকারের পক্ষ থেকে ক্রমাগত চাপের কারণে ইসলামী ঐক্যজোট এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে। এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জোটের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ ও হতাশা কাজ করছে।

গত মঙ্গলবার ৫ জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি সমাবেশ করে। এতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বক্তব্য দেন। তবে বরাবর যেভাবে এ জাতীয় সমাবেশে বিএনপি জোটের শরিক দলগুলোর নেতাকর্মী যোগ দেয়, এবার তা দেখা যায়নি।

এরপর বুধবার রাতে ইসলামী ঐক্যজোটের মজলিসে শুরার সদস্যরা জরুরি বৈঠক করে। সেখানেই জোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে দলটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দলের যে ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল হচ্ছে, সেখানে বিএনপির কোনো নেতাকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি। শরিক দলগুলোর ইফতার ও জাতীয় সম্মেলনসহ বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানে সাধারণত বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা অতিথি হিসেবে থাকেন।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ